সাঈদ হত্যা মামলা: ৩য় দিনে সাত প্রতিবেশীর সাক্ষ্যগ্রহণ

শিশু সাঈদ হত্যাসিলেট নগরীতে নির্মম নির্যাতনে নিহত স্কুলছাত্র আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আদালতে তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে। ২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার ফের সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।  সোমবার সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো.আব্দুর রশিদ এ সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

প্রতিবেশীরা হলেন, মো. সেলিম আহমদ, মো. আজির উদ্দিন, আবুল হোসেন, আব্দুস কুদ্দুস, মোক্তাদির আহমদ, দেলোয়ার হোসেন ও আব্দুল আহাদ তারেক।

এর আগে গত ১৯ নভেম্বর সাক্ষ্য দেন সাঈদের পিতা মতিন মিয়া, মামা আশরাফুজ্জামান, প্রতিবেশী ফিরোজ আহমদ,ওলিউর রহমান ও শফিকুল ইসলাম। ২২ নভেম্বর সাক্ষ্য দেন, সাঈদের মা সালেহা বেগম, সাঈদের আরেক মামা জয়নাল আবেদীন, তার শ্যালক সৈয়দ হিলাল, এয়ারপোর্ট থানার ওসি গৌছুল হোসেন, এসআই সমরাজ মিয়া ও কনেস্টেবল কাশেম।

এ নিয়ে এ আলোচিত মামলায় ৩৭ সাক্ষীর মধ্যে সোমবার পর্যন্ত ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ আদালতে গৃহীত হয়েছে।

গত ১১ মার্চ নগরীর শাহী ঈদগাহ শাহ মীর সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়। পরে অপহরণকারীরা তার পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এরপর ১৩ মার্চ রাতে বিমানবন্দর থানার পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের কুমারপাড়ার ঝর্ণারপাড় সবুজ-৩৭ নং বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ১৫ মার্চ নিহতের বাবা আব্দুল মতিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায়  মামলা দায়ের করেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর চারজনকে অভিযুক্ত করে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন।

১৭ নভেম্বর মামলার চার্জ গঠন করা হয়। চার্জশিটভূক্ত আসামিরা হচ্ছেন, নগরীর বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল (বরখাস্ত) এবাদুর রহমান পুতুল,  র‌্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিব ও প্রচার সম্পাদক মাহিব হোসেন মাসুম। মাসুম ছাড়া বাকি তিনজন এ ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। বর্তমানে অভিযুক্ত এই চার আসামি সিলেটের কেন্দ্রীয়  কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

/এএ/