ডিলার দীপক সাহা জানান, ‘আজ মঙ্গলবার ও আগামীকাল বুধবার এই দুই দিনের জন্য আমাকে দুই হাজার কেজি পেঁয়াজ দেওয়া হয়। প্রতিজনকে এক কেজি করে ৪৫ টাকা দরে বিতরণের কথা রয়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় এটা কম। লোকজনকে সামাল দেওয়াই কষ্টকর হয়ে যায়। পরে ৫/৬ বস্তা পেঁয়াজ থাকার পরও ভিড়ের চাপ সামলাতে না পেরে চলে আসতে বাধ্য হই।’
শহরের বাসিন্দা ইলিয়াস মোল্লা, সজিব বিশ্বাস ও রইচ মোল্লা জানান, অনেক কষ্টে এক কেজি পেঁয়াজ কিনতে পেরেছেন তারা। অনেকটা যুদ্ধ করেই তাদের পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে।