রবিবার (২২ ডিসেম্বর) কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, ডায়রিয়া ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স জানান, ডায়রিয়া ও আইসোলেশন ওয়ার্ডের বেড সংখ্যা ১২ হলেও রবিবার দুপুর পর্যন্ত ডায়রিয়া আক্রান্ত ২৮ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। যার বেশির ভাগই শিশু।ডায়রিয়া ছাড়াও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। এ রোগেও ভুক্তভোগী শিশুরাই বেশি।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাহিনুর রহমান সরদার জানান, শীত বেড়ে যাওয়ায় ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
হাসপাতালটির শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা.আল-আমিন মাসুদ বলেন, ‘শীতে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের হার বেশি। এসময় মায়েদের একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে।’
শিশুদের থাকার ঘরে কয়েল জ্বালানো থেকে বিরত থাকার পরমর্শ দিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, ‘এটি শিশুর ফুসফুসের ক্ষতি করে। এছাড়াও মায়েরা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। তা না হলে মায়ের থেকে শিশুরাও আক্রান্ত হতে পারে।’