এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, সৈকতে যেখানে গোসল করতে নেমে রেজওয়ান নিখোঁজ হয়েছিল, সেখান থেকেই তার মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহটি উদ্ধারের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এব্যাপারে একটি রামু থানায় অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজারে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেঁচারদ্বীপ সৈকতে গোসল করার সময় ভেসে যায় স্কুলছাত্র রেজওয়ান।
নিহত রেজওয়ান দাকোপের বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম শেখ আব্দুল হামিদের পৌত্র। রেজওয়ানের বাবা শেখ সাব্বির আহম্মেদ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মা ফেরদৌস আরা পলি খুলনা নজরুল নগর কলেজের শিক্ষক। খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় তাদের বসবাস। মহানগরীর সেন্ট যোজেফ স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল রেজওয়ান। মামা-মামি ও খালাদের সঙ্গে রেজওয়ান এবং তার বোন তাছিমা ইসলাম কক্সবাজারে বেড়াতে যায়। পেঁচারদ্বীপে বাতিঘর নামে একটি রিসোর্টের মালিক ঢাকার ব্যবসায়ী আবু সাদাত মোহাম্মদ লাভলু তার মামা। আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সে লাভলুর মালিকানাধীন রিসোর্টে ওঠে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে সাগরে সবার সঙ্গে গোসল করতে নামার একটু পরই ভাটার টানে ভেসে যায় রেজওয়ান। নৌ বাহিনী ও কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা টানা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ৩০ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে কোস্টগার্ড রেজওয়ানের লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। শুক্রবার বাদ জুমা খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কক্সবাজার শহর থেকে অনেকটা দূরে ওই রিসোর্টের অবস্থান। ওই সৈকত পয়েন্টে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযানের জন্য কোনও ব্যবস্থা ছিল না। এরপরও খবর পেয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কাজ শুরু করে। পরে তারাই মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন- সাগরে গিয়ে নিখোঁজ কিশোর