সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় নগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বেলা সোয়া ১টার দিকে প্রথম সংবাদ সম্মেলন করে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ধানের শীষের এই প্রার্থী।
আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টরা সরকারের প্রভাবমুক্ত থেকে অন্তত এই আসনের উপনির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দেবেন। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়, আমরা দেখেছি, আপনারাও দেখেছেন সেখানে কী হয়েছে। বিএনপি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সকাল থেকে বোমাবাজি করা হয়েছে। এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যারা কেন্দ্রে গিয়েছেন তাদেরও জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি যখন নৌকার প্রার্থীর সঙ্গে কেন্দ্রে অবস্থান করছিলাম তখনও বাইরে মুহুর্মুহু ককটেল ফাটানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা সবার কাছে সহযোগিতা চেয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেননি।’
আবু সুফিয়ান বলেন, ‘সকাল থেকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বহিরাগত কর্মীরা অধিকাংশ কেন্দ্র দখলে নিয়েছে। গোপন বুথে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা জোর করে ভোট দিচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছি ভোট স্থগিত করে পুনরায় নির্বাচন দিতে। লিখিত আবেদন করেছি। কিন্তু তারা কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।’
সংবাদ সম্মেলনে নগর বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘এই অথর্ব নির্বাচন কমিশনের অধীনে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে না। এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া ভোটাধিকার আদায় করা যাবে না। আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম-৮ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি বিএনপি প্রার্থীর