চৈত্রের খাঁ খাঁ রোদে পোড়া দুপুর। জলতেষ্টায় বুকের ছাতি ফাটে। এমন শুকনো খটখটে দুপুরে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে খুলনা মহানগরীর কয়েকটি এলাকা। গত ৫ দিন ধরে এ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রতিদিনই ঠিক দুপুরে জোয়ারের চাপে নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই পানিতে ডুবছে খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকার রূপসা এবং টুটপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা।
জানা গেছে, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) উদ্যোগে প্রতিদিন ঠিক দুপুরে জোয়ারের সময় গেট খুলে পানি তুলে ড্রেন পরিষ্কার করার প্রক্রিয়া চলছে। এর ফলে জোয়ারের এ অনিয়ন্ত্রিত পানি মহানগরীর দারোগাপাড়া, গগনবাবু সড়ক, খান জাহান আলী সড়ক, খুলনা কলেজিয়েট গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ মোড়, রূপসা স্ট্যান্ড সড়ক, নতুন বাজার চর বস্তি, নতুন বাজার অ্যাপ্রোচ সড়কসহ কয়েকটি এলাকায় ঢুকে যাচ্ছে। জোয়ারের এ অনিয়ন্ত্রিত পানি ড্রেন উপচে এসব এলাকার বাসা-বাড়িতেও ঢুকে পড়ছে।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ জানান, জোয়ারের সময় ড্রেনের মধ্যে কিছুটা পানি ওঠা-নামা করলে শহর পরিষ্কার থাকবে। করোনাভাইরাস বা জীবাণু থাকলে পরিষ্কার হবে। মশার আবাসস্থল ধ্বংস হবে, মশার ডিম নষ্ট হবে। শহরের এ অংশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য গেট খুলে দিয়ে স্বল্প পরিসরে পানি ঢোকানো হচ্ছে। তবে গেটের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির ভুলের জন্য পানি বেশি আসতে পারে। আগামী দিন থেকে আমরা নিয়ন্ত্রণে রেখে কাজ করবো।
এলাকার ভুক্তভোগী বাসিন্দা ওয়ার্কার্স পাটি'র নেতা কমরেড শাহাদাৎ হোসেন বলেন, নগরী ঘেঁষা সাহেব খালি খালের স্লুইস গেটের পাটা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে জোয়ারের পানি সহজেই ঢুকে পড়ছে। আগে এই পাটা বন্ধ করা প্রয়োজন।