বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, সরাইল উপজেলা সদরের ১ নম্বর ওয়ার্ড ও সৈয়দটুলা গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি কোনও ত্রাণ সহায়তা বিতরণ হয়নি। এর ফলে কর্মহীনরা অনেক কষ্টে দিন পার করছেন। কারও কারও ঘরে কয়েকদিন ধরে খাবারও নেই। অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এসময় তারা সরাইল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর জব্বারকে ঘিরে ধরেন।
এব্যাপারে শ্রমিক লীগ নেতা মো. ইউনুছ মিয়া বলেন, ‘ওই দুই ওয়ার্ডে হতদরিদ্র ও শ্রমিকরা রয়েছেন। আমাদের সবার কাজকর্ম বন্ধ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তো আমাদের জন্য কিছু পাঠিয়েছেন, আমাদের এলাকায় তো এগুলো আসেনি। সেজন্য আমরা বিক্ষোভ করেছি।’
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাদের ত্রাণ দেওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করার পর বিক্ষোভকারীরা চলে যান। এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম মো. মুসা বলেন, ‘ত্রাণের জন্য কেউ বিক্ষোভ করেনি। কেউ তাদের বলেছে সরকার মাথাপিছু তিন হাজার করে টাকা ও এক বস্তা চাল বরাদ্দ দিয়েছে, এগুলো তারা পাচ্ছেন না। গুজব ছড়িয়ে তাদের নিয়ে আসা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় লকডাউন চলছে। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) সরাইল উপজেলায় লক্ষাধিক মানুষ এক ইসলামি আলোচকের জানাজায় যোগ দেন। এই ঘটনার পর সরাইলের আটটি গ্রামের মানুষকে গৃহবন্দি করা হয়েছে। এরমধ্যেও এই বিক্ষোভের ঘটনা ঘটলো।