বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে থেকর করোনা জয় করলেন পাঁচ জন। বুধবার (৬ মে) তারা বাড়ি ফিরে গেছেন। ভর্তির পর দুদফা নেগেটিভ রিপোর্ট আসায়
দুপুরে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বিদায় জানান। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে তাদের প্রত্যেকের হাতে ১০হাজার টাকা করে তুলে দেওয়া হয়েছে।
করোনাভাইরাস বিজয়ীরা হলেন- বগুড়া শহরের সবুজবাগের জাহিদুল ইসলাম (৪০), সারিয়াকান্দির নারচির মো. রিপন (২৫), সোনাতলার আচারেরপাড়ার গৃহবধূ কোহিনুর বেগম (৪৭), ধুনটের মথুরাপুর গ্রামের নুরুন্নবী প্রামানিক (২৮) ও সারিয়াকান্দির গণকপাড়ার মামুনুর রশিদ (২৮)।
বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শফিক আমিন কাজল জানান, নারায়ণগঞ্জে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত রিপন গত ২২ এপ্রিল, ঢাকায় বেড়াতে যাওয়া কোহিনুর বেগম একইদিন, ঢাকার গার্মেন্টস কর্মী নুরন্নবী ২৩ এপ্রিল, ঢাকা ফেরত কলেজ শিক্ষক মামুনুর রশিদ ২৪ এপ্রিল ও ঢাকায় কর্মরত জাহিদুল ইসলাম গত ৩০ এপ্রিল বগুড়া আইসোলেশনে ভর্তি হন।
চিকিৎসায় সুস্থ হলেও তাদের নমুনা দুদফা পরীক্ষা করে নেগেটিভ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে তাদের ছাড়পত্র দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শহরের সেউজগাড়ী এলাকার মৌসুমী বেগম (২৮) নামে এক গৃহবধূর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাকেও ছাড়পত্র দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এর আগে ঢাকা
ফেরত পুলিশ কনস্টেবল আহসান হাবিব ও রংপুরের দিনমজুর শাহ্ আলম সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন।
বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশন ইউনিটের সূত্র জানায়, গত ২৯ এপ্রিল থেকে করোনা উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৪ জন ভর্তি হন। এর মধ্যে ৫ জন মারা যান। পরবর্তীতে তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। ১১ জন পজিটিভের মধ্যে ৭ জন সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে ৪ জন পজিটিভ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অবশিষ্ট ৩২ জনের মধ্যে এক শিশু ঢাকায় রেফার্ড ও অন্যরা সুস্থ হয়ে চলে গেছেন।