এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কাউন্সিলর প্রার্থী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আনিসুলের ভাতিজা ইকবাল এবং ভাগ্নে সোহাগকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আজিজুলের দুই ভাইও আহত হয়েছে।
হামলায় নিহত রাবেয়া খাতুনের লাশ বুধবার রাতে থানা পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কাউন্সিলর প্রার্থী আজিজুল ইসলাম জানান, তার বাড়িতে অপর কাউন্সিলর প্রার্থী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আনিসুল হক ও তার সমর্থকরা হামলা চালিয়ে এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
তবে আনিসুল হক এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কারা হামলা চালিয়েছে সেব্যাপারেও তিনি জানেন না। তবে হামলার কথা শুনেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি এই ঘটনাকে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে হামলায় আনিসুলের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গফরগাঁও থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। তবে আজিজুলের মায়ের মৃত্যু হামলায় নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে বলে জানান তিনি।
/এআর/এফএস/এফএ/