সভাপতি নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, রাবি ভিসিসহ ৫ জনকে আইনি নোটিশ




রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়অধ্যাদেশ ‘অমান্য’ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপসায়েন্স বিভাগের সভাপতি পদে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানসহ পাঁচ জনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মু. আলী আসগর। সোমবার (১১ মে) অধ্যাপক আলী আসগরের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এ আইনি নোটিশ পাঠান।

নোটিশপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা এবং অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এম এ বারী এবং কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সালেহা জেসমিন।

নোটিশে বলা হয়, অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে ২০১৭ সালের ৯ মে তিন বছরের জন্য ক্রপসায়েন্স বিভাগের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যার মেয়াদ শেষ হয় চলতি বছরের ৮ মে। সিনিয়রিটির ভিত্তিতে অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের পর অধ্যাপক মু. আলী আসগর সভাপতি হওয়ার কথা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধ্যাপক আলী আসগরকে বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ২৯ ধারার (৩) (১) নিয়ম লঙ্ঘন করে।

অ্যাডভোকেট জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, সাত দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। যদি এর মধ্যে তারা জবাব দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে আমরা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবো। প্রয়োজন হলে ভার্চুয়াল কোর্টে যাবেন বলেও জানান তিনি।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এম এ বারী বলেন, আমরা কোনও আইনি নোটিশ পাইনি। একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের প্রশাসক ড. শাহীন জোহরা।