তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব দেওয়া চিকিৎসক, নার্সদের সঙ্গে গত ১৩ জুন সিটি মেয়র জরুরি সভা করেন। ওই সভায় মেয়র তাদের বেতন দ্বিগুণ, দায়িত্বে থাকাবস্থায় চলাফেরার জন্য গাড়ি, থাকার জন্য হোটেল, করোনা আক্রান্ত বা কেউ মৃত্যুবরণ করলে সরকারি নিয়মে চসিক থেকে ৫-৫০ লাখ টাকা পরিবারকে প্রণোদনা, চাকরি স্থায়ীকরণে অগ্রাধিকারের ঘোষণা দেন। কিন্তু তারা প্রশিক্ষণে অংশ নেননি। আইসোলেশন সেন্টারে যোগদানও করেননি, যা দুঃখজনক।
অব্যাহতি দেওয়া চিকিৎসকরা হলেন- মেডিক্যাল অফিসার ডা. সিদ্ধার্থ শংকর দেবনাথ, ফরিদুল আলম, আবদুল মজিদ সিকদার, সেলিনা আকতার, বিজয় তালুকদার, মোহন দাশ, ইফতেখারুল ইসলাম, সন্দীপন রুদ্র, হিমেল আচার্য্য, প্রসেনজিৎ মিত্র ও স্টোর কিপার মহসিন কবির।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগী বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরস্থ সিটি কনভেনশন হলে ২৫০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার তৈরি করে সিটি করপোরেশন। গত ১৩ জুন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সেন্টারের উদ্বোধন করেন।