নিহতের বাড়ী কোটালীপাড়া উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়নের নারায়নখানা গ্রামে।
সিভিল সার্জন আরও জানান, গত ৬ জুন নিত্যানন্দ বল্লবকে কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতাল থেকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এর আগে তার করোনা শনাক্ত হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তার পরিবারের লোকজনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু, তারা ঢাকায় নিতে রাজি না থাকায় এখানে তার করোনার চিকিৎসা চলছিল।
সিভিল সার্জন আজ রবিবার জানিয়েছেন, নতুন করে ২৩ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০৯ জনে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৫ জন, কোটালীপাড়ায় ৬ জন ও মুকসুদপুরে দু্জন রয়েছেন। আক্রান্তদের আইসোলেশনে নেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের হোম কেয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আক্রান্তদের বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
জেলায় মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৩১২ জন সুস্থ হয়েছেন, বাকি ২৮৭ জন জেলার বিভিন্ন হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জেলায় ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীসহ ৫০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলায় চার হাজার ৯১১ জনের নমুনা পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।