সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৩, ১০, ১২ এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডকে রেড জোন চিহ্নিত করে গত ২০ জুন লকডাউন ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। লকডাউন ঘোষণার আগে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৬ জন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ১১৮ জন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ১১ জন এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৩ জন। এরমধ্যে মৃত্যু ছিল ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এক জন এবং ১২ নম্বর ওয়ার্ডে তিন জন।
রেড জোন চিহ্নিত করে লকডাউন ঘোষণার পর গত ১০ দিনে সংক্রমণের হার কমে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১০ জন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ৯ জন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ৮ জন এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জনে দাঁড়ায়। এছাড়া এই ১০ দিনে রেড জোন চিহ্নিত চারটি ওয়ার্ডে কোনও মৃত্যুর ঘটনা নেই।
সূত্র আরও জানায়, এই ১০ দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থতার হারও বেড়েছে। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১৮ জন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৩ জন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২২ জন সুস্থ হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের চারটি রেড জোন এলাকায় লকডাউন সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, পুলিশ, জনপ্রতিনিধিরা, স্বেচ্ছাসেবকরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও নিজ দায়িত্ববোধ থেকে লকডাউন মেনে চলেছেন। যে কারণে বর্তমানে আক্রান্তের নমুনা দেখে আশা করছি কুমিল্লার চারটি ওয়ার্ডে লকডাউন সফল হবে।
উল্লেখ্য, রেড জোন চিহ্নিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের চারটি ওয়ার্ডের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালিয়াজুরি, রেইসকোর্স, শাসনগাছা বাদশা মিয়ার বাজার; ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঝাউতলা, পূর্ব বাগিচাগাঁও, পুলিশ লাইন, বাদুরতলা; ১২ নম্বর ওয়ার্ডের নানুয়ার দিঘিরপাড়, নবাববাড়ি চৌমুহনী, দিগম্বরীতলা এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের টমটম ব্রিজ, থিরাপুকুরপাড় ও দক্ষিণ চর্থা এলাকায় বাঁশের বেড়া দিয়ে মানুষ যাতায়াতের প্রবেশপথ বন্ধ করা হয়।