অনাস্থাপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন লিটন শপথ গ্রহণের পর থেকে তার খেয়াল-খুশিমতো ইউনিয়ন পরিষদের কাজ করে আসছেন। তিনি নিয়মিত মাসিক সভা করেন না। সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিধান থাকলেও তিনি নিয়মের তোয়াক্কা না করে নিজ ইচ্ছায় প্রকল্প গ্রহণ করেন, কমিটি প্রদান করেন। কমিটির কারও স্বাক্ষর গ্রহণ না করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিল উত্তোলন ও আত্মসাৎ করেন।’
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘দীর্ঘ ৪৯ মাসের মধ্যে স্থাবর সম্পত্তির বিপরীতে (১ ভাগ) যেসব বরাদ্দ এ পরিষদে দেওয়া হয়েছে তা আমাদের না জানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নিজে বিভিন্ন ভুয়া-অদৃশ্যমান প্রকল্প দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেন। এ বিষয়ে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলে তিনি হুমকি-ধমকি দেন। তাই পরিষদের সবাই একযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রদান করলাম।’ সেই সঙ্গে এসব বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও অনুরোধ জানান তারা।
অনাস্থপত্রে স্বাক্ষর করেন ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. শাহজাহান, ২নং ওয়ার্ডের মো. মানিক, ৩নং ওয়ার্ডের আব্দুল খালেক, ৪নং ওয়ার্ডের আসাদুজ্জামান মুন্সি, ৫নং ওয়ার্ডের মো. বিল্লাল হোসেন, ৬নং ওয়ার্ডের শরিফুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ডের মো. মনির হোসেন, ৮নং ওয়ার্ডের নাজমুল হাসান এবং ৯নং ওয়ার্ডের মো. হাসানাত।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন লিটন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে গুজব রটাতে তারা উঠেপড়ে লেগে আছেন। মেম্বারদের অনিয়মে আমি সমর্থন না জানানোয় তারা আমার বিরুদ্ধে অপ্রচার চালাচ্ছেন। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তাদের কোনও কাজ-কর্ম নেই। তারা এটাকেই পেশা মনে করে।’