করোনা উপসর্গে বিএমএ বগুড়া শাখার সদস্য ও প্রবীণ চিকিৎসক বিএম ফারুক (৬৭) মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি বগুড়া টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে মারা যান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর শহরের খান্দারে রিয়াজুল জান্নাত মসজিদ প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার মরদেহ ভাইপাগলা কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার বাসিন্দা ডা. বিএম ফারুক সিলেট মেডিক্যাল কলেজ (ব্যাচ সি-১০) থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। তিনি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে প্রভাষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর বগুড়া শহরের নবাববাড়ি সড়কে অনিক এক্সরে সেন্টারে প্রাইভেট প্রাকটিস করতেন। তার ছেলে ডা. শাহরিয়ার ফারুক অনিক বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মানসিক বিভাগের রেজিস্টার।
ডা. শাহরিয়ার ফারুক অনিক জানান, তার বাবা ডা. বিএম ফারুক গত ৩১ জুলাই করোনা পজিটিভ হন। তাকে প্রথমে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়। এরপর ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’সপ্তাহ চিকিৎসা নেন। সেখানে সুস্থ হওয়ার পর গত ২৭ আগস্ট করোনা নেগেটিভ আসে। করোনা নেগেটিভ হলেও তার শরীরে উপসর্গ ছিল। পরবর্তীতে ফের অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বগুড়া টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে মারা যান।
৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাদ জুমা স্বল্প পরিসরে পারিবারিকভাবে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে বিএমএ বগুড়া শাখার প্রবীণ সদস্য ডা. বিএম ফারুকের মৃত্যুতে সংগঠনের সভাপতি ডা. মোস্তফা আলম নান্নু ও সাধারণ সম্পাদক ডা. রেজাউল আলম জুয়েল এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।