সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল্লাহ জানান, ট্যাক্স শাখায় মাস্টার রোলে কর্মরত দুই কর্মচারীর অনিয়মের অভিযোগে তাদের আগস্ট মাসের বেতন বন্ধ রাখা হয়। বৃহস্পতিবার স্টাফ মিটিংয়ে তিনি তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন। পরে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আরও ছয়-সাতজন যুবককে নিয়ে তার কার্যালয়ে প্রবেশ করে টেবিলের গ্লাস ও চেয়ার ভাঙচুর করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিটি করপোরেশনের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের অনিয়মের কারণে ওই প্রকৌশলী ঠিকাদারের চাহিদামতো বিল পরিশোধে অনীহা প্রকাশ করেন। বিষয়টি নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার ও তার লোকজন প্রকৌশলীর ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। এছাড়াও স্টাফ মিটিংয়ে তিনি সিটি করপোরেশনে কোনও দুর্নীতি সহ্য করবেন না বলে ঘোষণা দেওয়ার পর তার কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়।
এ বিষয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। ডেইলি লেবার এবং স্থায়ী লেবারদের মধ্যে কাজকর্ম নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে বলে শুনেছি, এর বেশি কিছু আমার জানা নেই। ভাঙচুরের বিষয়টি প্রকৌশলী জানেন।’
র্যাব-১১ এর কুমিল্লাস্থ সিপিসি’র কমান্ডিং অফিসার তালুকদার নাজমুস সাকিব জানান, সিটি করপোরেশন থেকে খবর পেয়ে একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সন্ধ্যায় কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আনোয়ারুল হক জানান, কর্মচারীর বেতন নিয়ে গোলযোগের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর টেবিলের গ্লাস ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখনও থানায় অভিযোগ করা হয়নি।