তিনি বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে জেলেদের ছেড়ে দিতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে জেলেদের ছেড়ে দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।’
গত মঙ্গলবার বিকালে মাছ ধরতে গেলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ৯ জেলেসহ একটি ট্রলার ভাসতে ভাসতে মিয়ানমার সীমানায় চলে যায়। পরে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে ট্রলারসহ জেলেদের ধরে নিয়ে যায় বিজিপি। ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন মো. কালা ওরফে কালাবদা, নুরুল আলম, ইসমাইল হেসেন, সাইফুল ইসলাম, মো. ইলিয়াছ, মো. ইউনুছ আলী, মো. ছলিম উল্লাহ, লালু মিয়া ও কামাল মিয়া।
বিজিবি বলছে, গত দুই বছর আগে ইয়াবা ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকারের নিদের্শনায় নাফ নদীতে মাছ শিকার বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপরও মাঝে মধ্যে নির্দেশ অমান্য করে কিছু জেলে মাছ শিকারে গেলে এ ধরনের ঘটনা ঘটে।
এর আগে, রবিবার নাফ নদীতে মাছ শিকারে গেলে গুলিবিদ্ধ হন বাংলাদেশি মো. ইসলাম। পরের দিন তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় কক্সবাজার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে মিয়ানমারের বিজিপির কাছে প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়।