নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) শহিদুল ইসলাম বলেন, মোরেলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের মঠবাড়ি গ্রামের ফজলু মুন্সির ছেলে গ্রামপুলিশ (চৌকিদার) সদস্য আল মামুন মুন্সির বিরুদ্ধে রবিবার দিবাগত গভীর রাতে পাশের ঠাকুরানতলা গ্রামের এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে। কলেজছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (২১ ডিসেম্বর) ভোররাতেই পুলিশ আল মামুন মুন্সিকে আটক করে। পরে আল মামুন মুন্সি ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রীকে বিয়ে করতে রাজি হলে দুপুরে তাকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেয় পুলিশ। এ ঘটনার পর উভয়পক্ষের সম্মতিতে দেড়লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে আমার দফতরে বিয়ে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়। এসময় উভয়পক্ষের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
কলেজছাত্রীর মা বলেন, আমরা দরিদ্র মানুষ। মামলা করে পুলিশ-কোর্ট ও উকিলের খরচ চালানোর মতো অর্থ নেই। সেকারণে আল মামুন মুন্সি বিয়েতে রাজি হওয়ায় থানায় ধর্ষণের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করিনি।
তবে জিউধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদশা জানান অন্য কথা। তিনি বলেন, দুই জনের মধ্যে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জেনেছি। বিষয়টি এলাকার অনেকেই জানে। গতরাতের ঘটনার পর উভয়পক্ষের পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হয়েছে বলে শুনেছি।
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রামপুলিশ সদস্য আল মামুন মুন্সিকে ভোররাতে আটক করা হয়। পরে উভয়পক্ষ বিয়েতে রাজি হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।