কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগের দু গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার করালিয়া এলাকায় আওয়ামী লীগের দু গ্রুপের সংঘর্ষে চার জন আহত হয়েছে। সোমবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় বসুরহাট পৌরমেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী ও উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটির অনুসারীদের মধ্যে দু দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জানান, দলীয় কোন্দলের জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের মধ্যে তিন জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং একজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহতরা হলেন– উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটির অনুসারী সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নূর রহমান রাহিম (২৭), ছাত্রলীগ নেতা করিম উদ্দিন শাকিল (২৩), রাকিব (২৭) ও আবদুল কাদের মির্জা অনুসারী রাসেল (৩২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটি সমর্থিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর জের ধরে সন্ধ্যায় মির্জা কাদেরের অনুসারী রাসেল উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটি অনুসারী শাকিল ও নূর রহমান রাহীমের ওপর পৌরসভার করালিয়া এলাকার চক্ষু হাসপাতালের সামনে হামলা চালায়। এ সময় রাহিম-শাকিল প্রতিরোধ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে উভয় পক্ষের চার জন আহত হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটির অনুসারী কাদের মির্জার ভাগ্নে ফখরুল ইসলাম রাহাত অভিযোগ করে বলেন, ‘সংঘর্ষ শেষে মির্জা কাদের অনুসারী সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী পৌরসভা কার্যালয় থেকে গিয়ে হামলার শিকার ছাত্রলীগ কর্মী শাকিলের বাড়িতে ফের হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।’

এ বিষয়ে কাদের মির্জার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার এক অনুসারী ফোন রিসিভ করে জানান, তিনি এ মুহূর্তে কথা বলতে পারবেন না। পরে কথা বলবেন।