ঈদে যানজট কমাতে মটকি ভাঙা ব্রিজ চালুর প্রস্তুতি

ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জের মটকি ভাঙা ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ধীরগতিতে যানবাহন চলাচলের কারণে সারাবছর যানজট লেগেই থাকে। ঈদের আগে ও পরে এই যানজট আরও অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে। এই ব্রিজের পাশেই একটি নতুন ব্রিজের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। আসন্ন রমজানের ঈদের আগেই নতুন ব্রিজটি চালু করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে ৭৬ মিটার ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয় গত এক বছর আগে। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিজটি নির্মাণের কাজ পায় মেসার্স মুজাহের এন্টারপ্রাইজ। চলতি বছরের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই শেষ হবে। এ জন্য ২০ রমজানের মধ্যেই ব্রিজ খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ব্রিজের দুই পাশে অ্যাপ্রোচ রুটের কার্পেটিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের ময়মনসিংহ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আসন্ন ঈদে যাত্রীদের দুর্ভোগ দূর করতে দ্রুত ব্রিজের কাজ শেষ করার প্রস্তুতি চলছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী ২০ রমজানের মধ্যে ব্রিজের ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।’

ময়মনসিংহ ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মাসুদ রানা জানান, পুরনো মটকি ভাঙা ব্রিজের মাঝখানে বেশ কয়েকটি গর্ত থাকায় ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করে। সারাবছরই ব্রিজের দুই পাশে যানজট লেগে থাকে। ঈদের সময় যানজট অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এ সময় ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তাদের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে খুব কষ্ট হয়। নতুন ব্রিজ চালু হলে যানজট কমবে।

ময়মনসিংহ নগরী হয়ে ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ পার হয়ে মটকি ভাঙা ব্রিজের ওপর দিয়ে শেরপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, সিলেট ও চট্টগ্রামের শত শত যানবাহন চলাচল করে।

ঢাকা থেকে শেরপুরগামী সোনার বাংলা পরিবহনের চালক লোকমান হোসেন জানান, ব্রহ্মপুত্র ব্রিজের ওপর যানজট কিছুটা থাকলেও তীব্র যানজটের তৈরি হয় মটকি ভাঙা ব্রিজের দুই পাশে। ঈদে এই যানজট ব্যাপক আকার ধারণ করে। ঈদের আগে নতুন ব্রিজ চালু হলে যানজট কমে আসবে।