বাবার অফিসের সামনের সড়কে প্রাণ গেলো মেয়ের

বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা দেওয়া হলো না স্কুলছাত্রী তিষা আক্তারের। বাবার কর্মস্থল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো তার। মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান জানান, রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোটরসাইকেলের সঙ্গে পাওয়ার টিলারের ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তিষা মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা আব্দুল মোমিন জেলা প্রশাসকের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। তারা সদর উপজেলার বামনপাড়ার বাসিন্দা।

নিহত তিষার খালাতো ভাই পলাশ জানান, পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বামনপাড়ার বাসা থেকে খালাতো ভাইয়ের মোটরসাইকেলে মেহেরপুর শহরে যাচ্ছিল তিষা। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে সড়কের গতিরোধক পার হওয়ার সময় তাদের মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারায়। সে সময় পাশ দিয়ে যাওয়া পাওয়ার ট্রিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সড়কের ওপরে দুজনই পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিলে হাসপাতালে ইমারজেন্সিতে কর্মরত ডাক্তার তিষাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় নিহতের খালাতো ভাই পলাশ আহত হয়।

খবর পেয়ে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মুনসুর আলম খান, পুলিশ সুপার রাফিউল আলমসহ সরকারি কর্মকর্তারা হাসপাতালে ছুটে আসেন।

সদর থানার ওসি বলেন, ‘সকালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী তিষা পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।’  কোনও অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।