জেঁকে বসা শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চলের জেলা দিনাজপুর। বেলার বাড়ার পর তাপমাত্রা নেমেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাসের ঝাপটায় জনজীবন বিপর্যস্ত।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৫ শতাংশ এবং গতিবেগ ঘণ্টায় ৪ কিলোমিটার।
আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জানুয়ারি মাসের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা না থাকলেও রয়েছে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা।
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে সকালের তাপমাত্রা বেশি থাকলেও বেলা বাড়ার পর কমছে তাপমাত্রা। ৩০ ডিসেম্বর সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইদিন সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইভাবে ৩১ ডিসেম্বর সকাল ৬টায় ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি আর সকাল ৯টায় ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি; ১ জানুয়ারি সকাল ৬টায় ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি এবং সকাল ৯টায় তাপমাত্রা নেমে হয় ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি; ২ জানুয়ারি সকাল ৬টায় ১১ ডিগ্রি এবং সকাল ৯টায় ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি; ৩ জানুয়ারি সকাল ৬টায় ১৩ দশমিক ৩ এবং সকাল ৯টায় ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি; ৪ জানুয়ারি সকাল ৬টায় ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি ও সকাল ৯টায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
নব রায় নামে একজন দিনমজুর বলেন, ‘সকালে কাজে যেতে পারি না। এখন শীত সুঁইয়ের মতো হাত-পায়ে ঢোকে। হাত অবশ হয়ে যায়, চলে না।’
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়া সহকারী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘দিনে দুইবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। চলতি জানুয়ারি মাসে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তেমন নেই। তবে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় তাপমাত্রা কমবে। এ ছাড়াও ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি বাতাসের আর্দ্রতা ও গতিবেগের কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।’