যশোরের শার্শায় সেপটিক ট্যাংক থেকে জেসমিন আক্তার পিংকি (১৮) নামে এক কলেজছাত্রীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লাশটি উদ্ধার করা হয়। যশোর র্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার এম নাজিউর রহমান জানান, এ ঘটনায় পিংকির কথিত প্রেমিক আহসান কবির অঙ্কুরকে (১৯) আটক করেছে র্যাব।
পিংকি যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পড়তেন। তিনি কলারোয়া উপজেলার কাজিরহাট কাওরিয়া গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ে। আটক অংকুর একই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র এবং শার্শার বুরুজবাগান গ্রামের আকবর আলীর ছেলে।
জানা গেছে, সম্পর্কের অবনতির জেরে প্রেমিক অঙ্কুর কৌশল করে ভিকটিমকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। সে পিংকিকে ১০ দিন আগে গলা কেটে হত্যা করে লাশ ট্যাংকির ভেতর ফেলে দেয়।
নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নিশাত আল-নাহিয়ান বলেন, ‘আমরা শুক্রবার দুপুরে জানতে পারি যশোর থেকে নিখোঁজ জেসমিন আক্তার পিংকির মরদেহ বুরুজবাগান এলাকায় তারই সহপাঠী আহসান কবির অঙ্কুরের বাসায় আছে। সেখানে গিয়ে আমরা সেপটিক ট্যাংক খুলে নিখোঁজ মেয়েটির মরদেহ খুঁজে পাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে তাকে এখানে এনে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। লাশ গুম করার জন্য সেপটিক ট্যাংকের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় তার এক সহপাঠীকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।