নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশে এখন কোনও রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় নেই। তাদের প্রভাবও নেই। ভবিষ্যতেও থাকবে না। বর্তমান নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। সবাইকে সমান দৃষ্টিতে দেখা হবে, কাউকে আলাদাভাবে দেখার কোনও সুযোগ নেই।’
তিনি রবিবার সকালে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম ২০২৫ এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে কিনা সে বিষয়ে একটি বিচারিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সিদ্ধান্ত এবং ঐকমত্যের ব্যাপার আছে। এ জন্য নির্বাচনের তফসিল পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’
নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনগুলোতে পুলিশসহ সব প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, সেটা আমরা সবাই উপলব্ধি করি। সে জন্য ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে হবে। সেটার ওপর নির্ভর করছে সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচন।
‘প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগে এর আগে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ আছে। এবার আমরা দলীয় বিবেচনায় নয়, বেছে বেছে সাহসী ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করবো।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব সংসদ নির্বাচন করা। আমরা সেই লক্ষ্যে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। সরকার যদি সিদ্ধান্ত নেয়, আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার, তখন আমরা সে অনুযায়ী কাজ করবো।’