‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন রংপুর-১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আল মামুন। ভোটারের সঙ্গে তিনি গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় করছেন। তাকে ঘিরে তরুণদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে।
নতুন ও সচেতন ভোটারদের অনেকই বলছেন, রংপুর-১ আসনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া রংপুর নগরীর ১ থেকে ৯টি ওয়ার্ডের সোয়া লাখ ভোটই পাল্টে দিতে ভোটের হিসেব-নিকেশ। এ আসনে বর্তমানে বহাল থাকা ৮ প্রার্থীর ৭ জনই গঙ্গচাড়া উপজেলার বাসিন্দা হলেও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাস করা একক প্রার্থী আল মামুন।
স্থানীয় সচেতন ভোটাররা বলছেন, দীর্ঘ সময় এই আসনে স্থানীয় কাউকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করতে পারেননি তারা। যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাদের বেশিরভাগই ছিল ভাসমান। তাদের মধ্যে গঙ্গাচড়ার মানুষের প্রতি ভালোবাসা ছিল না। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা ছিল না। কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হওয়াতে এই আসনের মানুষ এবার স্থানীয় প্রার্থী থেকেই সংসদে জনপ্রতিনিধি পাঠাতে চান। এজন্য তারা সব দলের প্রার্থীদের মধ্য থেকে শিক্ষিত, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে চান।
গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের তেঁতুলতলা গ্রামের নতুন ভোটার মেহেদী হাসান মিল্টন বলেন, আমার মতো তরুণরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। আমরা পরিবর্তনের পক্ষে, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি উন্নয়নের পক্ষে। আমাদের এই আসনে বিগত সময়ে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমরা তিস্তাপাড়ের মানুষ হিসেবে অনেক বেশি অবহেলিত। এবার এ আসনে তরুণ প্রার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে থেকে জুলাইকে ধারণ করে যারা দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করতে পারবে তাদের থেকেই আমরা জনপ্রতিনিধি চাই।
এবার এই আসনে এনসিপির আল মামুন ছাড়াও মনোনয়ন বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) আহসানুল আরেফিন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আনাস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মমিনুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রায়হান সিরাজী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মোকাররম হোসেন সুজন, গণঅধিকার পরিষদের হানিফ খান সজিব।