সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর বাথরুমের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দেড় বছরের শিশু কানিজ ফাতেমার মরদেহ। এ ঘটনায় তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের পশ্চিম চরমোহনা গ্রামে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। রবিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের পর রাতে উত্তেজিত গ্রামবাসী ও স্বজনরা অভিযুক্তদের বসতঘর ভাঙচুরের চেষ্টা চালালে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করেছে।

শিশুটি একই এলাকার ওই বাড়ির প্রবাসী কাঞ্চন হোসেন ও গৃহিনী জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিনের মেয়ে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়িতে খেলাধুলা করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশু কানিজ ফাতেমা।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই বাড়ির তোফায়েল আহমদ (৬০), ফিরোজা বেগম (৫০) ও নিশু আক্তারকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।

শিশুটির মা জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিন জানান, ঘটনার দিন সকালে শিশুটি প্রতিবেশী তোফায়েল আহমদের ঘরে যায়। এরপর আর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে তোফায়েলের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ কারণে তারাই হত্যা করে মেয়ের মরদেহ গুম করে হত্যা করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে।

এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া বলেন, ‘শিশুর লাশ সেপটিক ট্যাংক থেকে শনিবার রাতে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে আটক এবং হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক তিন জনকে রবিবার দুপুরে আদালতে তোলা হবে এবং রিমান্ড চাওয়া হবে।’