পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, চুলের কাটিং ও শৃঙ্খলার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লিটন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। নোটিশে শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট আকারে চুল কাটতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশনা দিয়েছেন সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিজু তামান্না।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ছাত্রদের জন্য নির্দিষ্ট আকারে চুল এবং হাত-পায়ের নখ কাটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নোটিশে ছবির মাধ্যমে চুল কীভাবে কাটতে হবে তার একটি নমুনাও দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনও শিক্ষার্থী যদি এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাকে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে শাস্তির আওতায় আনা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে এই আদেশ কার্যকর করা হচ্ছে।
এই বিষয়টি ছাত্র, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে একতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বোধ জাগ্রত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ তারিখ থেকেই নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হবে।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিটন উদ্দিন বলেন, ‘বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা, যেমন ক্যাডেট কলেজে, একই ধরনের চুলের কাটিং থাকে, দেখতে ভালো লাগে। বিষয়টি ইউএনও স্যারকে জানালে তিনি এই সংক্রান্ত নোটিশ দিতে নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা সম্বলিত নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিজু তামান্নার সরকারি ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।