কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ভুয়া চক্ষু চিকিৎসক কাজী মো. হাসান ইমাম শামীম কাউখালী উপজেলা শহরের পোস্ট অফিস সড়কের শাহীন চশমা ঘরে চিকিৎসক সেজে লোকজনের চিকিৎসা করতেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার বিকালে তাকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হাজির করা হয়।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক লাবনী চাকমা বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৬১ নং আইন) এর ২২ ধারার অপরাধে ভুয়া চক্ষু চিকিৎসক কাজী মো. হাসান ইমাম শামীমকে ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, কাজী মো. হাসান ইমাম শামীম এমবিবিএস (এএম) কোর্স (সিপিআর), ঢাকা বারডেম। (রেইকি হিলিং) ভারত (পিইসিএআর) চক্ষু মেডিকেল অফিসার, পটুয়াখালী চক্ষু হাসপাতাল, এ রকম ভুয়া পদবী লিখে রোগীদের চক্ষু চিকিৎসা করতেন।
আরও পড়ুন: যেকোনও সময় নিজামীর ফাঁসি কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
/এমও/