হস্তান্তরের আগেই জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ভবনের বিভিন্নস্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি দাতা দেশ জাপানের প্রতিনিধিরা আগৈলঝাড়ায় প্রকল্প পরিদর্শনে গিয়ে নিম্নমানের কাজ দেখে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তবে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ অস্বীকার করে ভবন নির্মাণে তদারকির দায়িত্বে থাকা জাইকার নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল চন্দ্র দে বলেন, বালু ফিক্সিংয়ের জন্য ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে প্রকল্পের কোনও ক্ষতি হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৩ জুলাই ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আগৈলঝাড়ায় ৫ মেগাওয়াট এমপিআর ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প ও ১৩.৫ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে পাশ হয়। পরবর্তীতে এমপিআর ক্ষমতা বাড়িয়ে ১০ মেগাওয়াটে উন্নীত করে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বাস্তবায়নের জন্য এনার্জি কমিশন থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যাদেশ দেওয়া হয় সিমেন্স ইন্ডিয়া কোম্পানিকে। জাইকার আর্থিক সহায়তায় রুরাল ইলেকট্রিক্যাল আপগ্রেশন প্রজেক্ট প্যাকেজ ১১/১৩ এর আওতায় জার্মান কোম্পানি সিমেন্সের ইন্ডিয়া ব্রাঞ্চের মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আগৈলঝাড়ার ছবিখারপাড় নামক স্থানের ৪০ শতক সম্পত্তির ওপর এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর একাধিক প্রকৌশলী জানান, তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান উচ্চমূল্যের মালামালের পরিবর্তে নিম্নমানের মালামাল দিয়ে সিভিল ওয়ার্কের কাজগুলো সম্পন্ন করেছেন। কাজের শর্ত অনুযায়ী একবছর ওই প্রকল্প রক্ষণাবেক্ষণ করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তা করেনি।
/এমও/