অভিযোগ থেকে জানা গেছে, তুষখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের কাছে প্রায় ২২ একর কৃষি জমিতে মাছ চাষের ঘের তৈরির কাজ শুরু করেন। এজন্য ওই জমিতে মাটি কেটে চারপাশে প্রাচীর দিয়েছেন তিনি। এগুলোর মধ্যে এলাকার কয়েকঘর হিন্দু পরিবারের জমিও রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় প্রদীপ বেপারী বলেন, চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার যে জমিতে ঘের তৈরি করছেন, তার মধ্যে আমার, পঙ্কজ বেপারীর, তার ভাই মনোজ বেপারীসহ হাসি রানী, সুধীর দেবনাথ ও সুশীল দেবনাথের ৫ একর জমি রয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার কোনও কিছু আমাদের না জিজ্ঞেস করে ওই জমিতে মাটি কাটা শুরু করান। আমরা নিষেধ করলেও তিনি তা শোনেননি। এ জন্যে আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
ইউপি চেয়ারম্যান ও তুষখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান হাওলাদার জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই ঘেরের মধ্যে থাকা জমির অধিকাংশই আমার। বাকি জমির মালিক হিন্দু পরিবারগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করেই কাজ শুরু করা হয়েছিল। একটি মহলের ইন্ধনে তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।
মঠবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ওই জমিতে শুরু হওয়া ঘেরের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
/এমও/এইচকে/
আরও পড়ুন: সারিয়াকান্দিতে গুচ্ছগ্রামের ৩০ একর জমি দখলের অভিযোগ, ফসল লুট