শনিবার (৬ আগস্ট) শিয়ালকাঠীর জোলাগাতি গ্রামে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছাত্রীটি গণধর্ষণের শিকার হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। তবে ধর্ষক আসাদুল (১৯) ও রাজু (২২) এবং তাদের তিন সহযোগী সৈকত, উজ্জল ও রাকিব এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হননি।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শিয়ালকাঠীর ইউনিয়নের জোলাগাতি শামছুননেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৪) শনিবার স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফিরছিল। পথিমধ্যে মোল্লারহাট এলাকার জালাল মোল্লার বাড়ির কাছে পৌঁছালে সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত একই এলাকার আসাদুল (১৯) ও রাজু (২২) তাকে জোর করে ধরে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রাখেন এবং পালাক্রমে গণধর্ষণ করেন। এ সময় তারা স্কুলছাত্রীকে বিবস্ত্র করে মোবাইল ফোনে চিত্র ধারণ করেন।
পরে ছুটে বাড়ি গিয়ে ছাত্রীটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। মেয়েটির মা বিষয়টি এলাকাবাসী ও স্বজনদের জানান। তখন এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়।
পিরোজপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ননী গোপাল রায় জানান, মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ পাঠিয়ে ছাত্রীটিকে এনে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রীটির বাবা বাদী হয়ে ধর্ষক রাজু, আসাদুল ও তার তিন সহযোগী সৈকত, উজ্জল ও রাকিবের নামে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।
/এবি/