পটুয়াখালীর চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাস পায়রা নদীতে সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লিখেছিল। চিঠির জবাবে পায়রা নদীতে সেতু হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শীর্ষেন্দুর স্বপ্নের সেই সেতু বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে সেতুর স্থান সমীক্ষা সম্পন্ন করেছে সেতু বিভাগ।
বৃহস্পতিবার সেতু বিভাগের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সমীক্ষার জন্য পটুয়াখালী সদর উপজেলা ও মির্জাগঞ্জ উপজেলার মধ্যবর্তী বয়ে যাওয়া পায়রা নদীর উভয় তীরে স্থান পরিদর্শন করেছে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমেদ, সেতু বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. সামসুজ্জামান, সেতু বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল হায়দার, সেতু বিভাগের উপ-সচিব মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন।
সড়ক বিভাগ ও সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী মো. কবির হোসেন জানান, সেতুটি হবে দুই লেনের। যার দৈর্ঘ্য মূল সেতু ১ হাজার ৩৭৫ মিটার (বক্স গার্ডার)। প্রস্থ ফুটপাতসহ ১০ দশমিক ৭৬ মিটার। ভার্টিক্যাল ক্লিয়ারেন্স (নির্বিঘ্নে নৌ চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চতা) ১৮ দশমিক ৩০ মিটার এবং হরাইজন্টাল ক্লিয়ারেন্স (দুই স্প্যানের মধ্যবর্তী স্থান) ৯০ মিটার।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাই ব্রিজটি নির্মাণের জন্য তাদের পক্ষ থেকে যা যা করণীয় তা তারা করে যাচ্ছেন। এখন অর্থায়নের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাস পায়রা নদীতে ব্রিজ চেয়ে গত ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠায়। এরপর ২০ সেপ্টেম্বর ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শীর্ষেন্দুকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে ব্রিজের স্থান পরিদর্শনে আসে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
/এআর/এপিএইচ/