স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ২

বরিশাল

বরিশাল সদর উপজেলার সাহেবেরহাট সংলগ্ন কড়াইতলা খালে দুটি স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিখোঁজ শিশু সিদরাতুল মুনতাহা শায়েরীর (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দায়ের করার মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাহাবুব আলম বাংলা ট্রিবিউনকে এসব বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

শায়েরী ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক ডা. গোলম সরোয়ারের মেয়ে এবং ৫ম শ্রেণির ছাত্রী। গ্রেফতার দুই ব্যক্তি হলেন বরিশাল স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি কালাম শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম।

বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা ওসি জানান, দুর্ঘটনা কবলিত স্থান থেকে প্রায় ৫শ’ গজ পশ্চিমে শায়েরীর মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। রবিবার সকাল ৯টার দিকে পুলিশ গিয়ে তা উদ্ধার করে। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কড়াইতলা খালে বিপরীতমুখী দুটি স্পিডবোটের সংঘর্ষ ঘটে। এতে ডা. সরোয়ারের স্ত্রী নাশপতি বেগম (৩৫) নিহত এবং তার শিশু মেয়ে শায়েরী নিখোঁজ হয়। এছাড়া আহতদের মধ্যে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম সরোয়ার ও তার ভাগ্নে মো. খোকন এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের চর্ম ও যৌন বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. প্রদীপ কুমার বণিকের অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে বন্দর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মিজান বাদী হয়ে দুই স্পিডবোটের মালিক, চালক, হেলপারসহ ভোলা ও বরিশালের স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি ও সেক্রেটারিকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর বরিশাল স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি কালাম শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুল আলমকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

/এইচকে/