মামলার বাকি দুই আসামি হলেন সিটি করপোরেশনের রোড ইন্সপেক্টর সালাউদ্দিন ও বরিশাল নগরের সাধুর বটতলা এলাকার শহীদুল হক।
জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট গিয়াসউদবদীন কাবুল জানান, মামলাটি দুদকে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এস.এম সরোয়ার হোসেন জানান, বরিশাল নগরের সাধুর বটতলা এলাকার সফিজ উদ্দিনের মৃত্যুর পর তার ছেলে ও মামলার বাদী আ. রব ২০১৭ সালের ২৩ মার্চ সিটি করপোরেশন থেকে প্লান পাস করিয়ে ওয়ারিস সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির ওপর দোকান নির্মাণের কাজ শুরু করেন। মামলার ৩ নম্বর আসামি বাদীর এলাকার বাসিন্দা শহীদুল হক দরখাস্ত করলে ৪ জুলাই কাজ বন্ধের নোটিশ দেয় সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। মামলার বাদী ওই নোটিশের জবাব দিলে পুনরায় ৯ জুলাই তাকে কাজ বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। সেই নোটিশের জবাবও সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করা হয়।
পরবর্তীতে ১২ জুলাই মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামি বাদীর কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর বাদী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.ওয়াহেদুজ্জামানের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি জানালে ২ ও ৩ নম্বর আসামির উপস্থিতিতে সেখানেও এক লাখ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়।
/বিএল/