ময়নাতদন্তের জন্য নিহত হওয়ার ২১ দিন পর স্কুলছাত্র মেহেদী হাসানের লাশ কবর থেকে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের পারিবারিক কবর থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়।
তিনি জানান, ইন্দুরকানীর ভবানীপুর গ্রামের রমিজুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান (১৫) খুলনার রুপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণিতে পড়াশুনা করতো। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মেহেদী চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার গ্রিন লাইফ হাসপাতালে মারা যায়। ১৪ সেপ্টেম্বর মেহেদীর লাশ ইন্দুরকানীর ভবানীপুর গ্রামের বাড়িতে এনে দাফন করা হয়।
এদিকে নিহতের মা পাপড়ি বেগমের দাবি, স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচনে তার ছেলে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তার প্রতিদ্বন্দ্বি আকাশ দলবল নিয়ে তার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশে নির্যাতন করে আহত করে প্রচার করে মেহেদী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে। এ ঘটনায় গত ২০ সেপ্টেম্বর খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ১৩ জনকে আসামি করে তিনি মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম শুনানি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেদীর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের জন্য খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
ইন্দুরকানী থানার ওসি নাসির উদ্দিন জানান, খুলনা মেট্রোপলিটন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নির্দেশে পিরোজপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জীব দাস ও খুলনা সদর থানা পুলিশের উপস্থিতিতে ২১ দিন পর মেহেদীর লাশ কবর থেকে লাশটি উত্তোলন করা হল।
খুলনা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব কান্তি জানান, লাশ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।