বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার এসএম রুহুল আমীন বলেছেন,‘মঙ্গলশোভা যাত্রায় মুখোশ পরে কেউ আসতে পারবেন না। অনুষ্ঠানস্থলে কেউ কোনও ব্যাগ, দিয়াশলাই বা গ্যাস লাইটসহ দাহ্য পদার্থ নিয়ে আসতে পারবেন না। পটকা আতশবাজি ফোটানো যাবে না।
মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল নগরের আমতলা মোড়ের বরিশাল মেট্রোপলটিন পুলিশের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন অথবা কোনও দুষ্কর্ম ঘটনোর চেষ্টা করে তাকে কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। এজন্য ১ বৈশাখ নববর্ষ বরণকে ঘিরে বরিশালে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলশোভা যাত্রার রুটকে ঘিরে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রা ও অন্যান্য অনুষ্ঠানস্থলে মোটরসাইকেলে এক জনের বেশি আরোহী থাকা যাবে না।
পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, ১ বৈশাখকে ঘিরে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা, সন্ত্রাস কিংবা জঙ্গীবাদের কোনও সুযোগ রাখবো না।
বেশকিছু সংগঠন ১৩ তারিখ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন করেছে, যে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তবে আয়োজকদেরও অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও আর্মড ব্যান্ড পরা নিজস্ব ভলান্টিয়ারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
পহেলা বৈশাখসহ টানা তিন দিন বরিশাল নগরে ৫০১ জন পুলিশের পোশাকধারী এবং সিভিলে সাত ধরনের টিম দায়িত্ব পালন করবেন। ওই সময় পুলিশ ছাড়াও এনএসআই, ডিজিএফআই, র্যাব ও সিটিএসবি এবং আয়োজকদের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং সিভিল সার্জনের উদ্যোগে বিশেষ মেডিক্যাল টিম ও ফায়ার সার্ভিস বিভাগের একাধিক টিম প্রস্তুত থাকবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিজিএফআইর পরিচালক কর্নেল শরীফুল আলম, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা.বাকির হোসেন, বরিশাল মেট্রোপলিট পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মাহাফুজুর রহমানসহ পুলিশ ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা ও সাংবাদিকরা।