উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার রায় জানান, আগুনে যে ১৬টি দোকন পুড়ে গেছে, সেই দোকান মালিকদের তালিকা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে ১০ হাজার নগদ টাকা ও ১ মণ করে চাল দেওয়া হবে। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ থেকেও সহায়তা করা হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত ইউসুফ আলি জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পাতারহাট বন্দরের তেমুহনী চত্বরে একটি মিষ্টির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে মেহেন্দিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও এরইমধ্যে ১৬টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়াসহ ২০টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।