বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মো. মাসুদুজ জামান বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক বাসটি আটক করেছি। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
নিহত সাইফুল বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধাল মোড় গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ইসলাম পরিবহনের স্টাফরা গাড়ি পার্কিং করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে ঝগড়া হয়। পরে স্ট্যান্ডে থাকা হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চাবি ছিনিয়ে নিতে গেলে চাবিতে হাত দিলে গাড়ি চালু হয়ে সামনের দিকে গেলে সাইফুল দুই গাড়ির মাঝখানে চাপা পড়ে। হানিফ পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব ১৪৩৫৬৯ গাড়িটির সঙ্গে শাকের পরিবহনের ধাক্কা লাগলে সাইফুল মাঝখানে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সাইফুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।
বরগুনা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাহাবুদ্দিন সাবু বলেন, ‘গাড়ি পার্কিং নিয়ে গাড়ির লোকজন ও স্থানীয়দের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটে। এসময় রনি নামের একজন হানিফ পরিবহনের গাড়িটির চাবি ছিনিয়ে আনতে গেলে গাড়ি চালু হয়ে অন্য শাকের পরিবহনের বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এসময় সাইফুল দুই গাড়ির মাঝে চাপা পড়ে।’