শাহজাহান কবির অভিযোগ করেন, ‘আমার কর্মীরা আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মীদের ভয়ে ঝুঁকি নিয়ে মাঠে নামতে রাজি হচ্ছেন না। ভোটগ্রহণের দিন কর্মীরা কেন্দ্রে গেলে তাদের ক্ষতি করা হবে এমন হুমকিতে তারা ভয় পাচ্ছেন। এই অবস্থায় কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো ছাড়া আমার কোনও উপায় নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়াও আমি যেহেতু বিএনপি নেতা, তাই দল থেকেও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।’
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান ফোরকান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। আমরা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছি।’
নির্বাচন থেকে এক প্রার্থীর সরে যাওয়ার বিষয়ে বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দীলিপ কুমার হাওলাদার বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়ে গেছে। এখন তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও তার প্রতীকে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।’
চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আগামী ৩১ মার্চ বরগুনার পাঁচটি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে বেতাগী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। এছাড়াও দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে বিএনপি নেতা শাহজাহান কবির নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ায়, শুধু আওয়ামী লীগের প্রার্থী একাই মাঠে থাকছেন।