ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলেজ রোড এলাকার মো. সিদ্দিকুর রহমান।
ভুক্তভোগেী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, এলাকায় কেউ জমি বিক্রি করলেও ছাত্রলীগ সভাপতিকে টাকার ভাগ দিতে হয়। চাঁদার টাকা না দিলে তাদের ওপর নির্মম নির্যাতন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্তরা আরও অভিযোগ করেন, আহসান হাবিব রুবেল ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার পর থেকে নানা কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত হন। তিনি ও তার বাবা রাজাপুর সদরের ৩৬টি পরিবারের জমি দখল করেন। ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে মালিকানা দাবি করে মোটা অঙ্কের চাঁদা চান তারা। টাকা না দিলে লোকজন নিয়ে জমি দখলে নেন। ওই জমি অন্যদের কাছে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। এসব কাজে বাধা দিলে মারধরও করা হয়। পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়েও ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে কোনও প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তাদের কর্মকাণ্ডে ভূমিহীন হয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে ৩৬ পরিবার।
অবিলম্বে ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিবকে গ্রেফতার করে জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। সংবাদ সম্মেলনে ৩৬টি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে রাজাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিব রুবেলর কাছে জানতে চাইলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। যারা এ অভিযোগ করেছে তারা একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমাদের প্রতিপক্ষ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতা মনিরুজ্জামান মনির ইন্ধন দিয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এ অভিযোগ করা হয়েছে।’