সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় স্পিডবোট মালিক ৭ দিনের রিমান্ডে

ভোলাভোলার মনপুরায় স্পিডবোট থেকে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় বোট মালিক নজরুল ইসলাম নামের একজনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে মনপুরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে তাকে হাজির করা হয়। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরু মিয়া ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মনপুরা থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন।

মনপুরা থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, ২৬ অক্টোবর শনিবার দুপুরে মনপুরা যাওয়ার উদ্দেশে চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া লঞ্চঘাটে আসেন ওই গৃহবধূ। লঞ্চ না পেয়ে স্পিডবোটে চড়েন। স্পিডবোটে চার জন যাত্রী ছিলেন। পথে বোটটি ঘুরিয়ে চরপিয়ালে নিয়ে চার যাত্রী তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি স্পিডবোটে কাঁদছিল। স্পিডবোট চালক মো. রিয়াজ এ ঘটনা স্পিডবোটের মালিক সাকুচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলামকে জানালে তিনি অপর একটি স্পিডবোটে চরপিয়ালে আসেন। এরপর তিনিও গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গৃহবধূ বাদী হয়ে মনপুরা থানায় নজরুল ইসলাম (৩০), বেলাল পাটোয়ারী (৩৫), মো. রাসেদ পালোয়ান (২৫), শাহীন খান (২২), মো. রিয়াজ (১৮) ও মো. কিরণকে (২৬) আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। নজরুল দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের আজগর আলীর ছেলে।