মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় বরিশাল জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি। জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন।
নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘সিএস পর্চার নকশা অনুযায়ী নদীর জমি নদীকে ফিরিয়ে দিতে হবে। এই নকশা ধরেই দখলদারদের উচ্ছেদ করে নদী উদ্ধার করা হবে।’
ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে নদী উদ্ধারের প্রক্রিয়া তৈরি করতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগার কথা নয়। নদী উদ্ধারে জেলাপর্যায়ে অর্থায়নে সমস্যা আছে যা কাটিয়ে উঠতে কাজ করা হচ্ছে।’
বিভিন্ন স্থানে ড্রেজিং করে নদীর পলি ফের নদীতে ফেলার বিষয়ে নদী কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, ‘সারাদেশে একই অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এটা ফৌজদারি অপরাধ। প্রয়োজনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার বিধানও আছে। জেলা প্রশাসকদের নেতৃত্বে সব জেলায় বিষয়টি নজরদারি করতে বলা হয়েছে।’
নদীর পলি কেটে নিরাপদ দূরত্বে ফেলতে হবে। নদী খনন প্রকল্পেই এই অর্থায়ন থাকতে হবে। নদীর নাব্যতা রক্ষায় নদীর পলি কেটে কোনও অবস্থায়ই নদীতে না ফেলার বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারন করেন নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যান।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শহীদুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলার ১০ উপজেলা চেয়ারম্যানসহ নদী রক্ষা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
//////
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, ‘নদী উদ্ধারে জেলা প্রশাসকরা প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা নিতে পারবেন। যদিও পুলিশই এ কাজে সক্ষম। কিন্তু কেউ বাধা দিলে বা সরতে না চাইলে বিজিবি, র্যাব থাকবে। কোনও শক্তি নদী উদ্ধারে বাধা হতে পারবে না।’
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় বরিশাল জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন।
নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘সিএস পর্চার নকশা অনুযায়ী নদীর জমি নদীকে ফিরিয়ে দিতে হবে। এই নকশা ধরেই দখলদারদের উচ্ছেদ করে নদী উদ্ধার করা হবে।’
ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে নদী উদ্ধারের প্রক্রিয়া তৈরি করতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগার কথা নয়। নদী উদ্ধারে জেলা পর্যায়ে অর্থায়নে সমস্যা আছে, যা কাটিয়ে উঠতে কাজ করা হচ্ছে।’
বিভিন্ন স্থানে ড্রেজিং করে নদীর পলি ফের নদীতে ফেলার বিষয়ে নদী কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, ‘সারাদেশে একই অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এটা ফৌজদারি অপরাধ। প্রয়োজনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার বিধানও আছে। জেলা প্রশাসকদের নেতৃত্বে সব জেলায় বিষয়টি নজরদারি করতে বলা হয়েছে।’
নদীর পলি কেটে নিরাপদ দূরত্বে ফেলতে হবে। নদী খনন প্রকল্পেই এই অর্থায়ন থাকতে হবে। নদীর নাব্য রক্ষায় পলি কেটে কোনও অবস্থায়ই নদীতে না ফেলার বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যান।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শহীদুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলার ১০ উপজেলা চেয়ারম্যানসহ নদী রক্ষা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।