নিহতরা হলেন- বশির পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের শিংড়াবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। মোফাজ্জেলের ঠিকানা এখনও জানা যায়নি।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল সোয়া চারটার দিকে বরগুনার বাইনচটকি ফেরিঘাট থেকে মোফাজ্জেল হোসেন নামের একজন প্যাসেঞ্জার নিয়ে পাথরঘাটার উদ্দেশে রওনা করেছিল বশির। মধ্য বাইনচটকি এলাকায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইএনও) ব্যবহৃত গাড়ির মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলের পাথরঘাটা ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম এসে বশির ও মোফাজ্জেলকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বশিরকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মোফাজ্জেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠানো হয়। পরে সেখানে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
ঘটনাস্থলের উপস্থিত বশিরের পরিচিত মনির নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন, ইউএনও নিজেই বেপরোয়া গতিতে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। বাইনচটকি এলাকায় গাড়িটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাসকিয়া সিদ্দিকা বলেন, হাসপাতালের নিয়ে আসার আগেই বশিরের মৃত্যু হয়।
এ বিষয় জানতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইএনও) হুমায়ূন কবিরের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এদিকে হাসপাতালে গিয়ে নিহতদের খোঁজখবর নিয়েছেন বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ। তিনি বলেন, নিহতের পরিবারকে আমরা সহায়তা করবো ।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাবউদ্দিন বলেন, নিহতের পরিবার কোনও অভিযোগ না করায় লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।