পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী বন্দরের চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্বাচনি শো-ডাউন থেকে দুই ছাত্রলীগকর্মীকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের নগরেরহাট এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের (একাংশের) নেতা সেলিম মৃধার নেতৃত্বে জনতাবাজার থেকে শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে একটি শো-ডাউন কালিশুরী বন্দরের চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় ছাত্রলীগকর্মী রাব্বি তালুকদার (২৫) ও তার চাচাতো ভাই ছাত্রলীগকর্মী মিরাজ তালুকদারকে (২৪) ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন ও যুবলীগ নেতা রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়।
আহত দুই ছাত্রলীগকর্মী কালিশুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কালিশুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান নেছার উদ্দিন সিকদার জামালের অনুসারি বলে জানা গেছে। তাদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নওমালা ইউনিয়নের নগরেরহাট এলাকায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বিশ্বাস ও উপজেলা আওয়ামী লীগের (একাংশের) সাংগঠনিক সম্পাদক ও নওমালা ইউপির চেয়ারম্যান শাহজাদা হাওলাদারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনার পর রাত ১০টায় কামাল বিশ্বাসের ভাই মামুন বিশ্বাস ও সমর্থক কবিরের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন বটকাজল গ্রামের চেয়ারম্যান শাহজাদা হাওলাদারের সমর্থক ইসমাইল মৃধার (৬৫) বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ ঘটনায় রুবেল (৩০), কামাল (২৮), আফজাল সরদার (৩১), কবির মৃধা (৩৫), রুমন (২৫) ও পাবেল মৃধা (৩৪)-সহ উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এলাকায় এখনও পুলিশ আছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’