নির্বাচনে হেরে প্রতিপক্ষের সমর্থকের দোকানে হামলার অভিযোগ

পটুয়াখালীর সদরের আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে হেরে জয়ী ইউপি সদস্যের সমর্থকদের ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।

এ সময় জয়ী প্রার্থীর দুই নাতি মো. রায়হান (১৮) ও মো. মারুফকে (১৭) মারধর করা হয়েছে। তারা পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার (১৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের অফিসের হাটে এ ঘটনা ঘটে।

জয়ী ইউপি সদস্য মো. ফারুক অভিযোগ করে বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমার দুই নাতি বাজারে গেলে মারধর করে পরাজিত প্রার্থী শাজাহান হাওলাদারের কর্মী-সমর্থকরা। বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা চলে যায়। পরে শাজাহান হাওলাদারের সমর্থক সারোয়ার হাওলাদার, সাখাওয়াত হাওলাদার, রুবেল হাওলাদার, মিজানুর রহমান মন্টু খান, হোসেন মৃধা ও রিয়াজ হাওলাদারসহ ২০-২৫ জন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে আসে। বাজারে আমার সমর্থক সাহাজুল চৌকিদার ও মজিবুরের কাপড়ের দোকান, জাকির চৌকিদারের লেপ-তোশকের দোকান, আমাদের সারের দোকান, হোসেন হাওলাদার ও মনিরের মুদি দোকানসহ ১২টি প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তারা। 

এ বিষয়ে শাজাহান হাওলাদার বলেন, তারা নিজেরা দোকান ভাঙচুর করে আমাদের দোষারোপ করছে। আমার ভাইয়ের ছেলে জালাল বাজার মসজিদের ইমাম। নির্বাচনে আমার পক্ষে থাকায় তাকে মসজিদে নামাজ পড়াতে দিচ্ছেন না ফারুকের সমর্থকরা। এ নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। পরে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুনেছি নির্বাচনে ওই এলাকার মসজিদের ইমাম এক ইউপি সদস্য প্রার্থীর পক্ষ নেওয়ায় সমস্যা হয়েছে। পরে তা সমাধান করা হয়েছে।