বরগুনায় তিন দিনে কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ ১৬ জন আহত হয়েছেন। বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড়টেংরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার মো. খালিদ মাহমুদ আরিফ এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আহতদের মধ্যে এক নারী ও এক শিশু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ জন সেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। এরমধ্যে রিফাত (৪) ও নাছিমা বেগমের (৩৫) অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত শিশুর মা রুপা আক্তার জানান, গত রবিবার দুপুরে একটা পাগলা কুকুর তার ছেলে রিফাতকে আক্রমণ করে। তার ডান পা ও ডান চোখে কামড় দেয় কুকুরটি। তখন রিফাতের চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্ষা করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়।
আহত নাছিমা বেগম বলেন, ‘দুপুরে ঘর থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে একটি কুকুর তাড়া করে। হাত ও পায়ে কামড় বসিয়ে দেয়। আমাদের গ্রামে অনেক আগে থেকেই কুকুরের উপদ্রব রয়েছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণে না আনলে আরও অনেকেই এমন অবস্থার শিকার হবেন।’
এ বিষয়ে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আহতদের দেখে এসেছি। শিশুটির অবস্থা গুরুতর। তাকে আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। আইনে কুকুর হত্যার বিধান নেই। কুকুর নিধন করা যায় কিনা সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।’
পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার খালিদ মাহমুদ আরিফ জানান, গত তিন দিনে প্রায় ১৬ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এরমধ্যে চার বছরের এক শিশু ও এক নারীর অবস্থা গুরুতর। তাদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।