নির্বাচন কমিশনের করা শোকজের ব্যাখ্যা দিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরের কার্যালয়ে বুধবার (১০ মে) দুপুর ১২টায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
এর আগে, সোমবার (৮ মে) বরিশাল বিমান বন্দর থেকে শোডাউনের মাধ্যমে নগরীতে প্রবেশ করেন এই প্রার্থী। এর মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলনের এই প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন উল্লেখ করে শোকজ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আজ সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে সশরীরে হাজির হওয়ার অনুরোধ করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর গিয়ে মৌখিক ও লিখিত ব্যাখ্যা দেন তিনি মেয়র প্রার্থী। তার ব্যাখ্যায় সন্তোষ প্রকাশ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। যদিও ইসির চিঠি পেয়ে ফয়জুল করীম বলেছিলেন, ‘যার জন্মই হয়নি সে কী করে শোকজ খায়’। এর আগে ৩ মে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মিডিয়া সেলের প্রধান এইচ এম হাসানুজ্জামান।
শোকজের জবাব দেওয়ার পর ফয়জুল করীম বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছি। তিনি সন্তুষ্ট হয়েছেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে কাজটি করেছি। উৎসুক জনতা আমাকে রিসিভ করেছেন। সেখানে কোনও আয়োজন ছিল না। বিষয়টি ব্যাখ্যা চেয়েছে আমি দিয়েছি।’
এই মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘আজকে মেয়র প্রার্থীরা লিফলেট বিতরণ করেছেন। এটা কোন আইনে পড়ে তা আমার জানা নেই। ইভিএমে ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন কি না তা নিয়েও শঙ্কিত। নারীদের জন্য বুথ বাড়ানোর কথা বলেছি। একইসঙ্গে ইভিএমে কীভাবে স্বচ্ছতা আনা সম্ভব তা নির্বাচন কমিশনকে আশ্বস্ত করতে বলেছি।’
নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকবে কি না- এমন প্রশ্নে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আমি তো শেষ পর্যন্ত থাকার জন্য নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছি। থাকবো না কেন?’
রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘সশরীরে উপস্থিত হয়ে মৌখিক ও লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রার্থী ফয়জুল করীম। সামনে আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালানোর অঙ্গীকার করেন।’