বরিশাল নগরের বাজার রোড এলাকায় মা ও ভাবিকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড রায় ঘোষণার ১৪ বছর পর শামীম আহমেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে বুধবার বিকালে ঢাকার বাড্ডা থানা পুলিশের সহযোগিতায় ওই এলাকা থেকে শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। সে বরিশাল নগরের বাজার রোড এলাকার মৃত আলী মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে। ২০১০ সালে হত্যা মামলার রায় ঘোষণার আগে থেকেই দ্বিন মোহাম্মদ নাম নিয়ে পলাতক জীবনযাপন করেছিল।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকালে ঢাকার বাড্ডা থেকে শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বরিশালে নিয়ে আসা হয়। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
মামলার রায়ের নথির বরাত দিয়ে ওসি বলেন, ‘২০০৯ সালের ২১ এপ্রিল জমিজমা এবং প্রেমের বিয়ে মেনে না নেওয়ায় মায়ের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় শামীমের। এ সময় ধাক্কা দিলে দোতলার সিঁড়ি থেকে নিচে পড়ে মারা যান মা সুফিয়া বেগম। ঘটনাটি ভাবি শিমু আক্তার দেখে ফেলায় তাকেও হত্যা করেছিল। এ ঘটনায় নিহত শিমুর বাবা আজিজ মল্লিক বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু রায় ঘোষণার আগে জামিনে ছাড়া পেয়ে পলাতক জীবনযাপন শুরু করে। ২০১০ সালের ২৪ নভেম্বর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুস সালাম সিকদার শামীমের অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।’