পিরোজপুরে বিএনপি প্রার্থীর কর্মীদের ওপর আ.লীগ প্রার্থীর হামলার অভিযোগ

ইউপি নির্বাচন-২০১৬পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের সাত বেকুটিয়া এলাকায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার কর্মীরা বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর এক কর্মীকে কুপিয়ে ও দুই কর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।   আহতদের পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২নং কদমতলা ইউপি নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী কদমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আ. ছালাম শেখ অভিযোগ করেন, শনিবার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের ৩নং সাত বেকুটিয়া মল্লিক বাড়ি এলাকায় আমার কর্মীদের নিয়ে মোটরসাইকেলে গণসংযোগ করতে যাই। এ সময় আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী কদমতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ খানের নেতৃত্বে একদল লোক আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা আমার কর্মী ছোবাহান শেখকে (৫৫) কুপিয়ে আহত এবং শাওন ও সুমন নামে দুই কর্মীকে পিটিয়ে আহত করে। এ সময় তারা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করে বলে জানান বিএনপি প্রার্থী ছালাম শেখ।

ছালাম শেখ বলেন, হামলার সময় ধাওয়া খেয়ে আমি একটি বাড়ির সুপারি বাগানে গিয়ে আশ্রয় নেই। হামলার বিষয়ে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ খানের বক্তব্য জানার জন্য ফোন দিলে তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থী ছালাম শেখ নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ২০-৩০টি মোটরসাইকেলে তার কর্মীদের নিয়ে সাত বেকুটিয়া  মল্লিক বাড়ি এলাকায় মহড়া দিতে থাকেন। এ সময় তারা বিএনপি ও ধানের শীষের পক্ষে শ্লোগান দেন। তখন আমার এক কিশোর সমর্থক নৌকা নৌকা বলে শ্লোগান দেয়। এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী ছালাম শেখ ও তার কর্মীরা আমার ওই কিশোর সমর্থককে মারধর করেন। খবর পেয়ে আমরা সেখানে গেলে বিএনপি প্রার্থী ও তার কর্মীরা মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যান।

হানিফ খান দাবি করেন, বিএনপি প্রার্থীর কর্মীদের ওপর হামলা ও তাদের মোটরসাইকেল ভাঙচুরের সঙ্গে আমার কোনও কর্মী জড়িত নন। হুড়োহুড়ি করে যাওয়ার সময় তারা নিজেরা আহত হয়েছেন।

তবে হানিফ খানের কর্মী কদমতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক মো. আদিব বলেন, আমরা বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মীদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ঠেলে খালে ফেলে দিয়েছি এর বাইরে কিছু নয়।

পিরোজপুর সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক জাকির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

/বিটি/টিএন/