কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, ভোর থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮৬ কিলোমিটার। এ কারণে সাগরে অতিরিক্ত জলোচ্ছ্বাসে ২ থেকে ৫ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
শনিবার বিকাল ৩টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু তাণ্ডবে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং, দক্ষিণ ধুরুং, লেমশি খালী, কইয়ারবিল, মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি, ধলঘাটা, কুতুবজোম, সোনাদিয়া, কক্সবাজার সদর উপজেলার সমিতিপাড়া, কুতুবদিয়াপাড়া, নুনিয়ারছড়া, টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন, সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়। এসব এলাকায় শতাধিক কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র আগে জেলার ১৫৮টি সাইক্লোন সেন্টারে ১৭ হাজার ৪৩৪টি পরিবারের ৮৭ হাজার ১৭০ জনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়। এসব দুর্গত মানুষের জন্য ৩০ বস্তা চিড়া, ৮০ খান গুড়, ৩০ বস্তা মুড়ি, বিস্কুট ও পানিসহ বিভিন্ন শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে মহেশখালীর মাতারবাড়ি, ধলঘাটা ও কুতুবদিয়ার লেমশি খালী, উত্তর ধুরুং ও দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের প্রায় ২৮ কিলোমিটার রেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। এসব এলাকায় এখন জোয়ার-ভাটা চলছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
/জেবি/এএইচ/
আরও খবর পড়ুন-